রাজশাহী থিয়েটার এবং কচিপাতা থিয়েটারের একজন কর্ণধার তাজুল ইসলাম

নজরুল ইসলাম তোফা: গণ মানুষের মনে জেগে উঠার স্বপ্নমালার মতো এক রহস্যের বহু দিনের ‘নাট্যানুভূতির অনামা কুসুম’। বাস্তবের চেয়েও স্বপ্নের দিকেই এশিল্পের ঝোঁক- ‘কিছু মানুষের হৃদয়ে অধিকতর’। স্বপ্নকে বাস্তবে রূপায়িত করবার জন্যেই নাট্য জগতের আলো-আঁধারি মাখা সিঁড়ির দিকে চেয়ে থাকে, এই শিল্প তাঁদের কখনো ডাকে আবার কখনো ডাকেই না। কারো কপালেই ডাক আসে অহরহ, ডেকে ডেকে কখনো ক্লান্ত হয় আর কেউ একবারও ডাক পায় না। কি যে, অধীর আগ্রহে থাকেন অবিরাম একটিবার ডাক শোনার জন্য। এমন স্বপ্নটা কি কখনো পুরন হবেনা তাঁদের। সে যেন তাঁর নিজের মতো করে সদা সর্বদাই স্বপ্নটাকে…

মামুন মোয়াজ্জেম এর দুটি কবিতা

তবুও ঈদ:- মৃত্যুর মিছিলের ভেতর বাঁকা চাঁদ অকস্মাৎ এসে যায় জীবন নাশ ও বিকাশের দোলাচলে নাচে পৃথিবী ! অসুস্থ পৃথিবী পীড়িত আঙ্গুল তুলে জানায় জীবনের জয়গানই শ্রেয় জীবের কোলাহলই পৃথিবীর প্রাণ সবুজের অবাধ বিথার আসমুদ্রহিমাচল মানব স্পন্দনেই জাগ্রত ! কোনকোন দুখিনী ঈদ আসে দুঃখে আনন্দ জাগাতে আমরা জাগি- কুলহারা প্রবল ঢেউয়ে আমরা তরী ভাসাই ধ্বংস স্তুপে ডানা মেলি আমরা ফিনিক্স পাখি। তবুও ঈদ দুঃখের নোনাজলে পুত হয়ে জেগে ওঠার ঈদ !! করোনাপোলব্ধি:- শুধু একটি সংখ্যা বা ছবি পর্যন্তই কী মানবজীবন এক ঘূর্ণাবর্তে যারা চলে যায় তারা কী খসে পড়া তারার…

আজ রবীন্দ্রজয়ন্তী

উপচার ডেস্ক : বাংলা সালটি ছিল ১২৬৮, দিনটি ২৫শে বৈশাখ। ১৫৯ বছর আগের ঠিক এই দিনেই রবিঠাকুর প্রথম আলোকিত করেন কলকাতায় জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি। এরপর সেই কিরণ ছড়িয়ে পড়ে বাংলা সাহিত্যের প্রতিটি অধ্যায়ে। আজ পঁচিশে বৈশাখ, বাংলা সাহিত্যের অনন্যপ্রতিভা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬০তম জন্মদিন। তার লেখনীতে সমৃদ্ধ হয়েছে বাংলা সাহিত্যের সব কটি ধারা। কবিগুরুর হাতেই মূলত সার্থক বাংলা ছোটগল্পের সূত্রপাত। এরপর গান-কবিতায় তিনি নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। মূলত সে উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন বাংলা সাহিত্যকে। রবীন্দ্রনাথ বাংলার কবি, বাঙালির কবি। তবে তিনি নিজেকে বিশ্বচরাচরের অংশ হিসেবে বিশ্বাস করতেন। বাঙালির উদ্দেশে তিনি বলেছেন,…

ঘাড়ত্যাড়া করোনা

লেখক, সাইফুল ইসলাম সরকার:-   নয়া ভাইরাস করোনা যতই দূরে সরো না- থাকো যদি অট্টালিকায় কিংবা গাদা বস্তিতে করোনা যে ভীষণ ত্যাড়া থাকতে দেয় না স্বস্তিতে। থাকো যদি সাগর মাঝে পাল তোলা একটা বড়ো নায় স্বাস্থ্যবিধি না মানিলে ধরবে তোমায় করোনায়। মাথাব্যথা, গলাব্যথা সর্দি, কাশি, জ্বর শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া দেহে বাঁধে ঘর। করোনার চিহ্ন এসব প্রকাশ যখন পায় রাখো তাকে ভিন্ন ঘরে ছোঁবে না তার গায়। ভিড়-ভাট্টা এড়িয়ে চলো কোলাকুলি চলবে না মনটাকে শক্ত রাখো ভয়ে কভু টলবে না। মাস্ক লাগিয়ে বাহিরে যাও হতে হবে সাবধানি খাবার খাবে রান্না করে ঘন…

করোনা

লেখক-ইলিয়াস আরাফাত : রিপোর্টটা হাতে আসতেই অন্য রকম হয়ে গেল পরিবেশটা। কেমন যেন গুমটে আর ভুতুড়ে পরিবেশ। রাকিবের কাছ থেকে একে একে সবাই যেন সরে পড়লো। যে কয়েকজন বা দুর থেকে দেখছে তাদের চোখেমুখে আতঙ্কের ছটা। জলভরা চোখে রাকিবের বেডের পাশে দাঁড়িয়ে আছে তার বাবা রাহাত চৌধুরী। করোনা ভাইরাস ধরা পড়েছে রাকিবের শরীরে। চোখের পানি মুছে ছেলের দিকে তাকায়। রাকিবের চোখে ভয়। দীর্ঘদিন ধরে টিভি আর পত্রিকার সংবাদে করোনা যে বিস্তার ভয় ধরিয়েছে তার কিছুটা প্রভাব পড়েছে রাকিবের মনেও। বাবা আমি কি বাঁচবো না? রাকিবের করুন আকুতি। রাহাত চৌধুরী চোখের…

রোদ বৃষ্টি ঝড়ে সাংবাদিকের কর্তব্য পালন ২৪ঘন্টা

সৌমেন মন্ডল :- সাংবাদিক মানে শুধু পদে পদে বাধা আর ঝুঁকির হাতছানি। তবুও কর্তব্য পালনে অকুতোভয় কলমসৈনিক সব কিছু উপেক্ষা করে ছুটে চলেন দুর্বার গতিতে। সকালে ঘুম থেকে উঠে সংবাদ সংগ্রহ করতে যায়,সারাদিন সংবাদ সংগ্রহ করেন।কোখায় গোসল,কোথায় ভাত? ল্যাপটপে বসে তারপর সংবাদ ভালোভাবে সম্পাদন করেন।সংবাদটি লিখেন তারপর ভালোভাবে বাছাই করে কোথাও ভুল আছে কিনা? এর মধ্য আবার একটি দূর্ঘটনার খবর এলে আবার ছুটে যেতে হয়।তথ্য সংগ্রহ করে আবার সত্য ঘটনা জনগনের সামনে তুলে ধরতে। একটি সংবাদ তৈরি করতে কত জন লোকের কাছে যেতে হয়।প্রথমে বাদীর কথা,তারপর বিবাদির কথা,তারপর এলাকা বাসির…

সাংবাদিক ফটিক ভাইয়ের চলে যাওয়া-মৃত্যু নাকি পদ্ধতিগত হত্যা?

এস এম আতিক : ফটিক ভাইয়ের মৃত্যুর কারণ স্ট্রোক। তিনি কেনো স্ট্রোক করলেন? কারণগুলো অনুসন্ধান করা দরকার। তার মৃত্যুর জন্য আমাদের দায় আছে কি না তা বিশ্লেষণ করা দরকার। আমাদের দ্বারা তিনি পদ্ধতিগত হত্যাকাণ্ডের স্বীকার হলেন কি না সেটাও ভাবা দরকার। তিনি স্ট্রোক করেছেন দুশ্চিন্তা থেকে। তার দুশ্চিন্তা করার পিছনে বড় দুটি কারণ হলো- ১. প্রেসক্লাব থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা। ২. অর্থনৈতিক দৈন্য। ফটিক ভাইকে রাজশাহী প্রেসক্লাবের পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিলো। প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের বিনোদনের যায়গা। সেখানকার কোনো সাংবাদিকের করা রিপোর্টের দায় সভাপতির ওপর বর্তায় না। অথচ…

বাংলাদেশের পূর্ণ বিজয় ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর

নজরুল ইসলাম তোফা : মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গর্ব ও অহংকার। এ মুুুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর- সেই সোনার বাংলাদেশ এবং দিনেদিনেই এসে দাঁড়িয়েছে প্রযুক্তি নির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশের নিকট থেকে এদেশের জনগণ স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই পাকিস্তানের- দুই প্রদেশের মধ্যে যেন বিভিন্ন প্রকার ইস্যু নিয়ে সম্পর্কের অবনতি ঘটে, সেগুলোর মধ্যে কিছু তুলে ধরা যেতে পারে যেমন ভূূমিসংস্কার, রাষ্ট্রভাষা, অর্থনীতি বা প্রশাসনের কার্যক্রমের মধ্যে দু’প্রদেশের অনেক বৈষম্য, প্রাদেশিক স্বায়ত্ত শাসন, পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ও  নানা ধরনের সংশ্লিষ্ট বিষয়েই সংঘাত ঘটে। মূলত ভাষা আন্দোলন থেকে বাংলাদেশের মুুুক্তিযুদ্ধের…

সৃষ্টিকর্তার সেই মানুষ আর এ মানুষ, আসল মানুষ ক’জনা

নজরুল ইসলাম তোফা : অনেক ধর্মাবলম্বীর মানব মানবীরাই প্রথমে পৃথিবীতে এসেই শুরু করলেন ভাল-মন্দের খেল। কেউ কেউ আবার আসারও আগেই ঘটিয়েছিল ঘটনা। তবে সেই মানব-মানবী পথ ধরে আজকের শাখা প্রশাখায় বা বিভিন্ন ধর্ম মতেই এ মানুষ, তারা নিজেরা যেমন অন্যকে ঠিক তেমনি মনে করে। মানুষ হিসেবে যে ভালো, সে অন্য মানুষের মন্দ দিকটি ঢেকে রেখে ভালো দিকটি তুলে ধরে। আর যে মানুষ নিজে মন্দ, সে অন্যের ভালো দিকটির পরিবর্তে মন্দ দিকটিই তুলে ধরে। মুলত এভাবেই মানুষ তার প্রকৃত রূপটি প্রকাশ করে।জীবনযাপনে সর্বক্ষেত্রেই এক একটা সময়ের অনেক গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা নিয়ে…

স্বাধীনের আগেই ‘বাংলাদেশ’ ধারণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু

উপচার ডেস্ক: দেশ স্বাধীনের পর পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডন হয়ে বঙ্গবন্ধু যখন বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখলেন, তখন তার আবেগে আপ্লুত হওয়ার সেই দৃশ্য এখনো বাংলার মানুষদের আলোড়িত করে, আবেগে ভাসায়। একটা স্বাধীন দেশের জন্য তিনি যে কতোটা সংগ্রাম করেছেন, মৃত্যুকে কাছ থেকে দেখে এসেছেন; তা বঙ্গবন্ধু বলেই হয়তো সম্ভব হয়েছে। আজীবন একটি মুক্ত দেশের স্বপ্ন দেখা প্রিয় এই নেতা দেশ স্বাধীনের আগেই ভেবে রেখেছিলেন কি হবে সেই স্বাধীন দেশের নাম। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হওয়ারও দুই বছর আগে দেশের নাম কি হবে, তা ঠিক রেখেছিলেন ইতিহাসের অমর মহানায়ক…