বিবাহ-অতঃপর….

নিলীমা সরকার : একটি বৈবাহিক স্বীকৃতি অনেকগুলো সোপান পেরিয়ে আসে। অনেকগুলো অভিজ্ঞতার চুলচেরা বিচার বিশ্লেষণ,অনেকগুলো চোখের পরিশুদ্ধ স্বপ্ন,ধর্মীয় ও সামাজিক অনেকগুলো রীতি রেওয়াজ এর মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় একেকটি স্বাভাবিক বিবাহ। প্রতিটি সমাজবান্ধব বিবাহই বিধাতার আশির্বাদপুষ্ট, কেননা সমাজ ও ধর্মীয় বাধ্যবাধকতার আচার শৃঙখলার অন্তর্গত। চোখের নেশা, তারিত আবেগ নিঃশেষ হয়ে গেলেও এই সম্পর্ক টিকে থাকে আরো অনেক গুলো মৌলিক উপাদানের ভিত্তির উপর জন্ম জন্মান্তর! কালক্রমে পরিস্থিতির ব্যাবধানে যেকোনো দুর্বিসহ পরিস্থিতিতে একে অপরের সহায় শুধু বৈবাহিক টানে। পিতামাতাগন তাদের ছেলেমেয়ের জীবন সাথী নির্বাচনে সবচেয়ে আগে যা ভাবেন তা হচ্ছে – তাদের…

১৬ কোটি মানুষ ৩২ কোটি হাত,দৈনিক ১টা ভাল কাজ করি!

লেখক, কবি মোঃ হুমায়ুন কবীর পিন্টু : আজকে বাজারে গিয়েছিলেন? কাঁচাবাজার করে পলিথিন কোথায় ফেলেছেন? বাসার ময়লা-আবর্জনা ডাস্টবিনে না ফেলে ড্রেনে বা খালে ফেলে এসেছেন কেন? ডাস্টবিন চোখে দেখেননি? খাওয়ার পরে কলার খোসাটা রাস্তায় নিক্ষেপ করেন কেন? নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলা যায়না? প্রেমিক /প্রেমিকার সাথে রোমান্টিক ভাবে চিপস খাওয়ার পরে চিপসের খালি প্যাকেট, প্লাস্টিকের বোতল কোথায় ফেলেছেন? বাদামের খোসা কোথায় ফেলেছেন? সিগারেট জ্বালিয়ে দিয়াশলাই এর কাঠি আর সুখটান দিয়ে সিগারেটের পরিত্যক্ত ফিল্টারের অংশটা রাস্তায় না ফেলে নিজের পকেটে জমিয়ে রাখতে পারেন নি? তবে তো আপনি নিজেই একজন ‘জলাবদ্ধতা! যদি জিজ্ঞেস করি,…

বহমান-বেহাল-নারীবাদ

নিলীমা সরকার :- নারী জাগরণের পথিকৃত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন এবং বেগম সুফিয়া কামাল বারোহাত কাপড়ের বেষ্টনীর ভিতর থেকেই নারী জাগরণের ডাক দিয়েছিলেন। তাদের লম্বা আঁচলের ছায়ায়ই তারা সন্তান লালন পালন করতেন! সমাজ সংস্কার করতে গিয়ে তাদের বাঙালীপনা কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্ঠি করেনি। মহিয়সী এই রমনীগন নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে নিজেকে স্বাধীন ও আত্মনির্ভরশীল করতে, নিজের পরিচিতি প্রতিষ্ঠা করতে নিজের নামের পাশে স্বামীর নাম যোগ করাকে কোনো অন্তরায় ভাবেননি! অথচ বর্তমানের ভয়ঙ্করী নারীবাদ মানুষিকতার নারীরা নামের পাশ থেকে স্বামী বা পিতার নাম তুলে ফেলার আহবান জানাচ্ছেন, নিজের নামেই পরিচিতি অর্জন করতে…

রাজশাহী থিয়েটার এবং কচিপাতা থিয়েটারের একজন কর্ণধার তাজুল ইসলাম

নজরুল ইসলাম তোফা: গণ মানুষের মনে জেগে উঠার স্বপ্নমালার মতো এক রহস্যের বহু দিনের ‘নাট্যানুভূতির অনামা কুসুম’। বাস্তবের চেয়েও স্বপ্নের দিকেই এশিল্পের ঝোঁক- ‘কিছু মানুষের হৃদয়ে অধিকতর’। স্বপ্নকে বাস্তবে রূপায়িত করবার জন্যেই নাট্য জগতের আলো-আঁধারি মাখা সিঁড়ির দিকে চেয়ে থাকে, এই শিল্প তাঁদের কখনো ডাকে আবার কখনো ডাকেই না। কারো কপালেই ডাক আসে অহরহ, ডেকে ডেকে কখনো ক্লান্ত হয় আর কেউ একবারও ডাক পায় না। কি যে, অধীর আগ্রহে থাকেন অবিরাম একটিবার ডাক শোনার জন্য। এমন স্বপ্নটা কি কখনো পুরন হবেনা তাঁদের। সে যেন তাঁর নিজের মতো করে সদা সর্বদাই স্বপ্নটাকে…

মামুন মোয়াজ্জেম এর দুটি কবিতা

তবুও ঈদ:- মৃত্যুর মিছিলের ভেতর বাঁকা চাঁদ অকস্মাৎ এসে যায় জীবন নাশ ও বিকাশের দোলাচলে নাচে পৃথিবী ! অসুস্থ পৃথিবী পীড়িত আঙ্গুল তুলে জানায় জীবনের জয়গানই শ্রেয় জীবের কোলাহলই পৃথিবীর প্রাণ সবুজের অবাধ বিথার আসমুদ্রহিমাচল মানব স্পন্দনেই জাগ্রত ! কোনকোন দুখিনী ঈদ আসে দুঃখে আনন্দ জাগাতে আমরা জাগি- কুলহারা প্রবল ঢেউয়ে আমরা তরী ভাসাই ধ্বংস স্তুপে ডানা মেলি আমরা ফিনিক্স পাখি। তবুও ঈদ দুঃখের নোনাজলে পুত হয়ে জেগে ওঠার ঈদ !! করোনাপোলব্ধি:- শুধু একটি সংখ্যা বা ছবি পর্যন্তই কী মানবজীবন এক ঘূর্ণাবর্তে যারা চলে যায় তারা কী খসে পড়া তারার…

আজ রবীন্দ্রজয়ন্তী

উপচার ডেস্ক : বাংলা সালটি ছিল ১২৬৮, দিনটি ২৫শে বৈশাখ। ১৫৯ বছর আগের ঠিক এই দিনেই রবিঠাকুর প্রথম আলোকিত করেন কলকাতায় জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি। এরপর সেই কিরণ ছড়িয়ে পড়ে বাংলা সাহিত্যের প্রতিটি অধ্যায়ে। আজ পঁচিশে বৈশাখ, বাংলা সাহিত্যের অনন্যপ্রতিভা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬০তম জন্মদিন। তার লেখনীতে সমৃদ্ধ হয়েছে বাংলা সাহিত্যের সব কটি ধারা। কবিগুরুর হাতেই মূলত সার্থক বাংলা ছোটগল্পের সূত্রপাত। এরপর গান-কবিতায় তিনি নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। মূলত সে উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন বাংলা সাহিত্যকে। রবীন্দ্রনাথ বাংলার কবি, বাঙালির কবি। তবে তিনি নিজেকে বিশ্বচরাচরের অংশ হিসেবে বিশ্বাস করতেন। বাঙালির উদ্দেশে তিনি বলেছেন,…

ঘাড়ত্যাড়া করোনা

লেখক, সাইফুল ইসলাম সরকার:-   নয়া ভাইরাস করোনা যতই দূরে সরো না- থাকো যদি অট্টালিকায় কিংবা গাদা বস্তিতে করোনা যে ভীষণ ত্যাড়া থাকতে দেয় না স্বস্তিতে। থাকো যদি সাগর মাঝে পাল তোলা একটা বড়ো নায় স্বাস্থ্যবিধি না মানিলে ধরবে তোমায় করোনায়। মাথাব্যথা, গলাব্যথা সর্দি, কাশি, জ্বর শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া দেহে বাঁধে ঘর। করোনার চিহ্ন এসব প্রকাশ যখন পায় রাখো তাকে ভিন্ন ঘরে ছোঁবে না তার গায়। ভিড়-ভাট্টা এড়িয়ে চলো কোলাকুলি চলবে না মনটাকে শক্ত রাখো ভয়ে কভু টলবে না। মাস্ক লাগিয়ে বাহিরে যাও হতে হবে সাবধানি খাবার খাবে রান্না করে ঘন…

করোনা

লেখক-ইলিয়াস আরাফাত : রিপোর্টটা হাতে আসতেই অন্য রকম হয়ে গেল পরিবেশটা। কেমন যেন গুমটে আর ভুতুড়ে পরিবেশ। রাকিবের কাছ থেকে একে একে সবাই যেন সরে পড়লো। যে কয়েকজন বা দুর থেকে দেখছে তাদের চোখেমুখে আতঙ্কের ছটা। জলভরা চোখে রাকিবের বেডের পাশে দাঁড়িয়ে আছে তার বাবা রাহাত চৌধুরী। করোনা ভাইরাস ধরা পড়েছে রাকিবের শরীরে। চোখের পানি মুছে ছেলের দিকে তাকায়। রাকিবের চোখে ভয়। দীর্ঘদিন ধরে টিভি আর পত্রিকার সংবাদে করোনা যে বিস্তার ভয় ধরিয়েছে তার কিছুটা প্রভাব পড়েছে রাকিবের মনেও। বাবা আমি কি বাঁচবো না? রাকিবের করুন আকুতি। রাহাত চৌধুরী চোখের…

রোদ বৃষ্টি ঝড়ে সাংবাদিকের কর্তব্য পালন ২৪ঘন্টা

সৌমেন মন্ডল :- সাংবাদিক মানে শুধু পদে পদে বাধা আর ঝুঁকির হাতছানি। তবুও কর্তব্য পালনে অকুতোভয় কলমসৈনিক সব কিছু উপেক্ষা করে ছুটে চলেন দুর্বার গতিতে। সকালে ঘুম থেকে উঠে সংবাদ সংগ্রহ করতে যায়,সারাদিন সংবাদ সংগ্রহ করেন।কোখায় গোসল,কোথায় ভাত? ল্যাপটপে বসে তারপর সংবাদ ভালোভাবে সম্পাদন করেন।সংবাদটি লিখেন তারপর ভালোভাবে বাছাই করে কোথাও ভুল আছে কিনা? এর মধ্য আবার একটি দূর্ঘটনার খবর এলে আবার ছুটে যেতে হয়।তথ্য সংগ্রহ করে আবার সত্য ঘটনা জনগনের সামনে তুলে ধরতে। একটি সংবাদ তৈরি করতে কত জন লোকের কাছে যেতে হয়।প্রথমে বাদীর কথা,তারপর বিবাদির কথা,তারপর এলাকা বাসির…

সাংবাদিক ফটিক ভাইয়ের চলে যাওয়া-মৃত্যু নাকি পদ্ধতিগত হত্যা?

এস এম আতিক : ফটিক ভাইয়ের মৃত্যুর কারণ স্ট্রোক। তিনি কেনো স্ট্রোক করলেন? কারণগুলো অনুসন্ধান করা দরকার। তার মৃত্যুর জন্য আমাদের দায় আছে কি না তা বিশ্লেষণ করা দরকার। আমাদের দ্বারা তিনি পদ্ধতিগত হত্যাকাণ্ডের স্বীকার হলেন কি না সেটাও ভাবা দরকার। তিনি স্ট্রোক করেছেন দুশ্চিন্তা থেকে। তার দুশ্চিন্তা করার পিছনে বড় দুটি কারণ হলো- ১. প্রেসক্লাব থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা। ২. অর্থনৈতিক দৈন্য। ফটিক ভাইকে রাজশাহী প্রেসক্লাবের পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিলো। প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের বিনোদনের যায়গা। সেখানকার কোনো সাংবাদিকের করা রিপোর্টের দায় সভাপতির ওপর বর্তায় না। অথচ…